Logo
শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ৫ই আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের প্রয়াণ

প্রকাশের সময়: ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ - শনিবার | আগস্ট ২৪, ২০১৯

তৃতীয় মাত্রা

ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) সভাপতি ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিটে বর্ষীয়ান এ রাজনীতিবিদের প্রয়াণ ঘটে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৭ বছর। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ন্যাপের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পরিতোষ দেবনাথ।

মোজাফফর আহমদের পরিবার জানা গেছে, কয়েক দিন ধরে তিনি রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালের আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন তিনি ।

মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের ছয়জন উপদেষ্টার একজন ছিলেন অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন ও স্বাধীনতা যুদ্ধে তাঁর ভূমিকা অবিস্মরণীয়। জীবন সায়াহ্নে এসে বারিধারার পার্ক রোডে মেয়ের বাড়িতে থাকতেন তিনি। গত ১৪ আগস্ট অধ্যাপক মোজাফফরকে অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ছিলেন ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ)। অবশেষে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন তিনি।

প্রবীণ রাজনৈতিক অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের মৃত্যুতে শোক ও গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এক শোক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দেশের মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ এবং বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ভূমিকার কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ‘দেশের প্রগতিশীল রাজনীতিতে তার অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।’ শোক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী মরহুমের পরিবারের শোকাহত সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান এবং বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

এদিকে অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের মৃত্যুতে শোক ও গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এ ছাড়া মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গাণি ও মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া।

শোক বার্তায় তারা বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে কিংবদন্তিতুল্য এ নেতার মৃত্যুতে দেশ হারালো একজন অভিভাবক রাজনীতিককে।

অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ কখনও অন্যায়ের সঙ্গে আপস করেননি মন্তব্য করে ন্যাপ নেতারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধে অবদানস্বরূপ সরকার ২০১৫ সালে তাকে স্বাধীনতা পদকের জন্য মনোনীত করলেও তিনি সবিনয়ে তা ফিরিয়ে দেন। তার মতে, রাজনীতির অর্থ দেশ এবং মানুষের সেবা। পদ বা পদবির জন্য কখনও রাজনীতি করেননি তিনি। পদক দিলে বা নিলেই যে মানুষ সম্মানিত হয়, এ দৃষ্টিভঙ্গিতে তিনি বিশ্বাসী ছিলেন না।

Read previous post:
ট্রেনে কাটা পড়ে দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু

তৃতীয় মাত্রা ডেস্ক রিপোর্ট : ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণ গেছে দুই শিক্ষার্থীর। শুক্রবার দুপুরে কুমিল্লা সদর উপজেলার বদরপুর এলাকায় রেলসেতুর...

Close

উপরে