Logo
বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৯ | ২৮শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

চলন্ত বাসে ধর্ষণের পর নার্স হত্যা : ৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

প্রকাশের সময়: ৩:৩১ অপরাহ্ণ - বৃহস্পতিবার | আগস্ট ৮, ২০১৯

তৃতীয় মাত্রা

ডেস্ক রিপোর্ট : কিশোরগঞ্জে চলন্ত বাসে নার্স শাহীনুর আক্তার তানিয়াকে ধর্ষণের হত্যা মামলায় স্বর্ণলতা বাসের চালক ও হেলপারসহ ৯ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) সারোয়ার জাহান কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আল মামুনের কাছে চার্জশিট দাখিল করেন।

চার্জশিটভুক্ত আসামিরা হলেন- স্বর্ণলতা বাসের চালক নুরুজ্জামান নুরু, হেলপার লালন মিয়া, বাস মালিক আল মামুন, রফিকুল ইসলাম রফিক, খোকন মিয়া, বকুল মিয়া, বোরহান, আল আমিন ও স্বর্ণলতা বাসের এমডি পারভেজ সরকার পাভেল। এদের মধ্যে শেষের তিনজন পলাতক রয়েছে। ধর্ষণ ও হত্যায় সরাসরি সম্পৃক্ত আসামি বোরহান উদ্দিনকে পুলিশ এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি।

কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মাশরুকুর রহমান খালেদ জানান, বাসের চালক, তার খালাতো ভাই বোরহান ও বাসের হেলপার লালন মিয়া তানিয়া ধর্ষণ ও হত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত। তাকে বাসের ভেতর পালাক্রমে ধর্ষণের পর বাস থেকে ফেলে হত্যা করা হয়। মাথায় প্রচণ্ড আঘাতের ফলে তার মৃত্যু হয়। পরে তার মরদেহ কটিয়াদী হাসপাতালে ফেলে পালিয়ে যায় আসামিরা। অন্য ছয় আসামি তানিয়া ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় সহযোগিতা করেন বলে চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে। পলাতক বোরহান উদ্দিনসহ অন্য আসামিদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে বলে জানান পুলিশ সুপার।

প্রসঙ্গত, গত ৬ মে রাতে ঢাকা থেকে স্বর্ণলতা পরিবহনের একটি বাসে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার পথে ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হন শাহিনুর আক্তার তানিয়া। তিনি কটিয়াদী উপজেলার লোহাজুড়ি ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের মেয়ে ও ঢাকার কল্যাণপুর এলাকার ইবনে সিনা হাসপাতালের সিনিয়র নার্স ছিলেন।

তানিয়াকে বহনকারী স্বর্ণলতা পরিবহনের বাসটি কটিয়াদী বাসস্ট্যান্ডে আসার পর বাসের অন্য যাত্রীরা নেমে যায়। কটিয়াদী থেকে বাজিতপুর উপজেলার পিরিজপুর বাসস্ট্যান্ডে যাওয়ার পথে গজারিয়া বিলপাড় এলাকায় বাসের চালক ও সহকারিরা তানিয়ার ওপর পাশবিক নির্যাতন চালায়। পরে তানিয়ার মরদেহ কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমেপ্লক্সে রেখে পালিয়ে যায় তারা।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা গিয়াস উদ্দিন বাদী হয়ে ওইদিন রাতেই চারজনের নামে বাজিতপুর থানায় একটি মামলা করেন। এ মামলায় বাসের চালক নুরুজ্জামান নুরু, হেলপার লালন মিয়া ও বাসের মালিক আল মামুনসহ ছয় আসামি কিশোরগঞ্জ কারাগারে রয়েছে।

Read previous post:
তুরস্ক-রাশিয়ার মধ্যে ভিসামুক্ত ভ্রমণ শুরু

তৃতীয় মাত্রা তুরস্ক-রাশিয়ার মধ্যে ভিসামুক্ত ভ্রমণ শুরু হয়েছে। বুধবার (৭ আগস্ট) থেকে দুই দেশে ভিসামুক্ত প্রবেশ করতে পারবেন দেশ দুটির...

Close

উপরে