Logo
শুক্রবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০১৯ | ৫ই মাঘ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

খুলনাকে থামিয়ে ঢাকার দ্বিতীয় জয়

প্রকাশের সময়: ১১:৪৫ পূর্বাহ্ণ - বুধবার | জানুয়ারি ৯, ২০১৯

তৃতীয় মাত্রা :

শক্তিশালী ঢাকা ডায়নামাইটসের কাছে পাত্তাই পায়নি খুলনা টাইটান্স। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দিনের প্রথম ম্যাচে রান উঠে না! তবে সেই ধারণা ভুল প্রমাণ করেছে ঢাকার ব্যাটসম্যানরা। আফগান ব্যাটসম্যান হজরতউল্লাহ জাজাই শুরুতে ব্যাটে ঝড় তোলেন। আর তাতে তাল মিলিয়েছেন রনি তালুকদার, আন্দ্রে রাসেল, পোলার্ডরা। খুলনার বোলারদের তুলাধুনা করে স্কোর বোর্ডে তুলেছেন ৬ উইকেট হারিয়ে ১৯২ রান। জবাবে জুনায়েদ সিদ্দিকী দারুণ শুরু করলেও ৮৩ রানেই গুটিয়ে যায় টাইটান্স। ১০৫ রানের বিশাল ব্যবধানে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নেয় গত আসরের রানার্সআপরা। এটি বিপিএলের সবচেয়ে বড় রান ব্যবধানের দ্বিতীয় জয়।

তবে ঢাকার সবচেয়ে বড় জয়। তাদের আগের জয়টি ছিল ৯৯ রানের ব্যবধানে চট্টগ্রাম ভাইকিংসের বিপক্ষে ৫ম আসরে। ব্যাটে ঝড় তোলার সুবাদে ম্যাচসেরা হয়েছেন জাজাই। খুলনার দ্বিতীয় হার। প্রথম ম্যাচে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে তারা হেরেছে ৮ রানে।
টসে জিতে খুলনার অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ ফিল্ডিং নিতে ভুল করেননি। কারণ আগের দুই ম্যাচে দিনের আলোতে আগে ব্যাট করে হেরেছে দুটি দল। কিন্তু এ দিন ঢাকার ব্যাটসম্যানরা খুলনার অধিনায়কই নয় মিরপুরের উইকেটকেই ভুল প্রমাণ করতে শুরু করেন। সুনীল নারাইনকে নিয়ে দারুণ এক জুটি গড়ে তোলেন হজরতুল্লাহ জাজাই। তবে ১২ রানের সময় ক্যাচ দিয়েছিলেন আফগানিস্তানের ব্যাটসম্যান। কিন্তু মিডঅনে ক্যাচটি ছাড়েন প্রোটিয়া অলরাউন্ডার ডেভিড ভিসা। এরপর তিনি তেতে উঠেন জাজাই,  ১৭ বছর বয়সী বাঁহাতি পেসার শরিফুলের এক ওভারেই মারেন তিন ছক্কা দুই চার। দুই ওপেনারের ব্যাটে ঢাকা ৫ ওভারেই তোলে ৬৭ রান। ১৪ বলে ২৯ রান করা নারাইনকে ফিরিয়ে দলকে প্রথম সফলতা এনে দেন ডেভিড ভিসা।
তাতে অবশ্য ঢাকার রানের গতি কমেনি। তিনে নেমে রানের গতি ধরে রাখেন রনি তালুকদার। এখানে খুলনার ফিল্ডাররা ব্যর্থতার প্রমাণ দিয়েছেন রনিকে জীবন দিয়ে। তাতে  ৮.৫ ওভারে ঢাকার স্কোর বোর্ডে যোগ হয় ১০০ রান। শেষ পর্যন্ত ১৮ বলে ২৮ রান করা রনিকে ফেরান অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ। এরপর আইরিশ অলরাউন্ডার পল  স্টারলিং পরপর দুই বলে আউট করেন জাজাই ও সাকিব আল হাসানকে। তাতেই কিছুটা রানের গতি কমে আসে ডায়নামাইটসদের। তবে জাজাই তুলে নেন বিপিএলের চলতি আসরে টানা দ্বিতীয় হাফসেঞ্চুরি। প্রথমটি ছিল ২২ বলে। গতকাল  ফিফটি আসে ২৫ বলে। শেষ পর্যন্ত সাজঘরে ফিরেছেন ৩৬ বলে ৫৭ রান করে। যেখানে ছিল ৫টি ছক্কার মার। তবে এতে একটু ছন্দপতন হলেও কাইরন পোলার্ড ও আন্দ্রে রাসেল ফের ঝড় তোলেন। দুইজনের জুটিতে ৫০ আসে ৩১ বলে। শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেট হারিয়ে ঢাকার সংগ্রহ ১৯২ রান। ৩ ছক্কায় রাসেল করেন ২৫ ও পোলার্ডের ব্যাটে ১৬ বলে আসে ২৭ রান।
জবাব দিতে নেমে ঝড় তুলে দলকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছিলেন জুনায়েদ সিদ্দিক। তবে তার চেষ্টায় পানি ঠেলেছেন অন্যপ্রান্তে থাকা ব্যাটসম্যানরা। শেষ পর্যন্ত  ১৬ বলে ৩১ রান করে সাকিবের শিকার হন জুনায়েদও। হাল ধরতে এসে টাইটান্সের মিডল অর্ডার হতাশই করেন ভক্তদের। মাহমুদুল্লাহ, নাজমুল হোসেন শান্তরা বিলিয়ে দিয়ে আসেন উইকেট। ফিল্ডিংয়ে চোট পাওয়া আলি খান নামতে পারেনি ব্যাটিংয়ে। তাতে খুলনা ইনিংস থামে ৭ ওভার বাকি থাকতেই। দলের পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৯ রান করেন আরিফুল হক। তবে দলের বিপর্যয়ে তার মারমুখী হওয়ার সুযোগ ছিল না। খেলেছেন ১৯ বল। মাত্র ৩ জন ব্যাটসম্যানই পৌঁছেছেন ৩ অঙ্কে। বলতে গেলে ঢাকার বোলারদের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি খুলনার ব্যাটিং লাইন। সাকিব আল হাসান নিয়েছেন ১৮ রান খরচ করে ৩ উইকেট। এই জয়ে ঢাকা ডায়নামাইটসের পয়েন্ট এখন ৪।

Read previous post:
শিশু তারিফ হত্যার মূল হোতা বিল্লাল নিহত

তৃতীয় মাত্রা : যশোরের মনিরামপুরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ বিল্লাল হোসেন নামে এক অপহরণকারী নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে মণিরামপুরের নেহালপুর...

Close

উপরে