• Tuesday, 06 December 2022
মোদির ফোন রেকর্ড ভাইরাল! নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর নির্দেশ নির্দল প্রার্থীকে

মোদির ফোন রেকর্ড ভাইরাল! নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর নির্দেশ নির্দল প্রার্থীকে

 


রবিবার নির্বাচনী প্রচারে গিয়েছিলেন হিমাচলে প্রচারে মোদি।সেখানেই কৃপালের বিষয়ে জানতে পেরে এক স্থানীয় বিজেপি নেতার ফোন থেকে কৃপালকে ফোন মোদি, তাঁকে ভোট থেকে সরে দাঁড়াতে বলেন মোদি।‘আপনার জীবনে আমার কি কোনও ভূমিকা রয়েছে থাকলে সরে দাঁড়ান।’ কৃপাল তাঁকে বলেন ‘আপনার কথা আমার কাছে ভগবানের আদেশের মতো। দু’দিন আগে ফোন এলে ভাল হত বলেও জানান কৃপাল। সেই সঙ্গে তাঁর অভিযোগ, নাড্ডা তাঁকে গত ১৫ বছর ধরে অপমান করছেন। মোদি শুনে বলেন, ‘সেটা আমি দেখে নেব।’ এই কথোপকথনের অডিও ভাইরাল হয়েছে হিমাচল জুড়ে। ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু বিজেপি ওই ভিডিয়ো জাল বলেও দাবি করেনি। মোদীকে কেন এক জন নির্দল প্রার্থীকে ফোন করে সরে দাঁড়াতে বলতে হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এই অডিও প্রসঙ্গে বিজেপিকে একহাত নিয়েছে বিরোধীরা। কংগ্রেসের মুখপাত্র অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি বলেন, ‘মোদী নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। তিনি প্রার্থীর উপরে চাপ তৈরি করছেন। ‘ইমোশনালি ব্ল্যাকমেল’-এর চেষ্টা করছেন। যাতে কৃপাল ভোটে না লড়েন। এটি প্রধানমন্ত্রীর পদে থেকে অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা।’

শুধু কৃপাল নয়, এবারের ভোটযুদ্ধে নির্দল প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে বেশ কয়েকজন বহিষ্কৃত বিজেপি নেতা। এ বার টিকিট না পেয়ে কাংড়া জেলার ফতেপুর থেকে নির্দল প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন কৃপাল। ফলে ফতেপুরের বিজেপি প্রার্থী তথা রাজ্যের বনমন্ত্রী রাকেশ পাঠানির পক্ষে নির্বাচনে জেতাটা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, পাঁচ বছর আগে, ২০১৭-র হিমাচলের বিধানসভা নির্বাচনে ৬৮ আসনের বিধানসভায় ৪৪টি আসন জিতেছিল বিজেপি। কংগ্রেস পেয়েছিল ২১টি। কিন্তু তার আগের ভোটে কংগ্রেস পেয়েছিল ৩৬টি আসন। বিজেপি পেয়েছিল ২৬টি। সাধারণত পাঁচ বছর অন্তর ওই রাজ্যে সরকার বদল হয়। স্বাভাবিক ভাবেই এবার ক্ষমতাসীন বিজেপি চাপের মুখে।

comment / reply_from