• Saturday, 10 December 2022

মাঝ আকাশে ধূমপান: বিমানের বাথরুমে অগ্নিকাণ্ড

মাঝ আকাশে ধূমপান: বিমানের বাথরুমে অগ্নিকাণ্ড

বিপজ্জনক ঘটনার আশঙ্কায় বিশ্বব্যাপী ফ্লাইটে ধূমপান নিষিদ্ধ। কিন্তু, এবার একজন অধৈর্য ধূমপায়ী যাত্রী ফ্লাইট অবতরণের জন্য অপেক্ষা করতে পারেননি। টাইমস অব ইসরায়েল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নিয়ম-নিরাপত্তা সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে, তিনি বাথরুমের ভেতরে দ্রুত ধূমপান সারতে চেয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত এ ঘটনায় বিমানের বাথরুমে আগুন ধরে যায়।

শুক্রবার ইসরায়েলের তেল আবিব থেকে থাইল্যান্ডের ব্যাংকক যাওয়ার সময় এল আল এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে এ ঘটনাটি ঘটেছে।
জানা যায়, ধূমপান শুরুর পর বিমানের বাথরুমে লাগানো ধোঁয়ার অ্যালার্মের শব্দ শুনেন । পরে, ওই যাত্রী সিগারেটের বাকি অংশ আবর্জনার পাত্রে ফেলে দেন। এতে সঙ্গে সঙ্গে আবর্জনার পাত্রে থাকা টিস্যু ও আবর্জনায় আগুন ধরে যায়। কিন্তু ওই যাত্রী নাম প্রকাশের অনুমতি দেননি।

এল আল প্রতিনিধিরা টাইমস অব ইসরায়েলকে জানিয়েছেন যে, বিমানের ক্রুরা অবিলম্বে আগুন নেভানোর জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন ও অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ব্যবহার করেছিলেন। ভাগ্যক্রমে এ ঘটনায় কোনো ধরনের ক্ষতি হয়নি।

এল আল প্রতিনিধিরা আরও জানান, ফ্লাইটটি নির্ধারিত সময় অনুযায়ী চলেছে ও নিরাপদে ব্যাংকক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে। ওই যাত্রীকে সতর্ক করা হয়েছে ও এয়ারলাইনসের আইনি বিভাগ আরো পরীক্ষার জন্য বিষয়টি দেখছে।

থাইল্যান্ড থেকে ইসরায়েলে ফেরার পরে ওই যাত্রীর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস অনুসারে, মজার ব্যাপার হলো গত ১৯৮০ সাল পর্যন্ত বিমানে ধূমপানের অনুমতি ছিল। তবে, এখন প্রায় সব আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনস ও বেশির ভাগ সরকারই ফ্লাইটে ধূমপান নিষিদ্ধ করেছে। গত ১৯৭৩ সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরো থেকে ফ্রান্সের প্যারিস যাওয়ার ভারিগ ফ্লাইট ৮২০-এ সিগারেট আবর্জনার পাত্রে নিক্ষেপ করার পর আগুন ধরে গিয়েছিল। দুর্ভাগ্যজনক ওই ঘটনায় ১২৩ জন যাত্রী মারা গিয়েছিল। -সূত্র : এনডিটিভি

comment / reply_from

related_post