• Tuesday, 07 February 2023
চরভদ্রাসনে ব্যাবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

চরভদ্রাসনে ব্যাবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

চরভদ্রাসন(ফরিদপুর)প্রতিনিধি:  ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে বালু ব্যাবসায়ীমোঃ কাউছার খান(৪১)কে কুপিয়ে হত্যা করার ঘটনা ঘটেছে। ২৬ নভেম্বর শনিবার বেলা ১০টার দিকে উপজেলার চর হরিরামপুর ইউনিয়নেরজাকেরেরশুরা ভাঙ্গার মাথা এলাকায় পদ্মানদীর পাড়ে পানিউন্নয়ন বোর্ডের
ড্রেজিংকরা বালুর স্তুপের উপর মৃতদেহটি পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয় এলাকাবাসী।পরে চরভদ্রাসন থানা পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তেরজন্য ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখমুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গেপাঠিয়ে দেয়। ধারনা করা হচ্ছে শুক্রবার দিবাগত রাতের কোন এক সময় তাকে হত্যা করা হয়েছে।


নিহত ওই বালুব্যবসায়ী সদর ইউনিয়নের এমকে ডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা মৃত জালাল খানের মেঝ ছেলে। চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে
তিনি দ্বিতীয়। তিনি মাটি টানার ট্রলি ও কাঠের ব্যবসার সাথেজড়িত ছিলেন। কাওসার খান বিবাহিত। তার স্ত্রীর নাম শারমিন আক্তার। কথামনি (৮) ও
লাবিবা (৬) নামে তার দুইটি মেয়ে আছে। চর হরিরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের আট নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কুদ্দুসমন্ডল জানান, সকাল ১০টার দিকে ওই গ্রামের কয়েকজন নারী পদ্মানদীতে পানি আনতে গেলে কাওসারের মৃতদেহটি বালুর স্তুপের উপর পড়ে থাকতে দেখেন। পরে ওই নারীরা বিষয়টি তাকেজানালে তিনি চরভদ্রাসন থানায় খবর দেন। পরে বেলা ১১টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মৃতদেহটি উদ্ধার করেন।খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ফরিদপুর পুলিশ সুপার মোঃশাহজাহান পিপিএম(সেবা),অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(সদর সার্কেল) সুমন রঞ্জন সরকার,চরভদ্রাসন থানা অফিসার ইনচার্জ মিন্টু মন্ডল ও পিবিআই এর সদস্যবৃন্দ। মৃতের ভাই লিয়াকত খান (২৭)জানান,গত শুক্রবার দুপুরে খাবার খেয়েকাজের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান কাওসার। রাত নয়টার দিকে

তিনি বাড়িতে না ফেরায় কাওসারের মুঠোফোনে ফোন দেওয়াহলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিত ব্যাক্তিদের সাথে
যোগাযোগ করাহলে কাওসারের কোন খবর জানা যায়নি। কাওসার রাতে বাড়িতে ফিরে আসবে ভেবে সারারাত ঘরের দরজা খোলা রাখা হয়। কিন্তু
সারারাতে তিনি ফিরে আসেননি। সকালে তার মৃতদেহ উদ্ধারকরা হয়। লাশ উদ্ধারের বিষয়ে ফরিদপুর পুলিশ সুপার মোঃ শাহজাহান(পিপিএম
সেবা)বলেন লাশের পরিচয় সনাক্ত করতে পেরেছি। ঘটনাস্থলে তার পরিবারের লোকজন আসছে। আপাত দৃষ্টিতে দেখে মনে হচ্ছে এটা একটা
পরিকল্পিত হত্যাকান্ড। লাশ সুরতহালের পর এই হত্যাকান্ডের সাথে কারা জরিত আছে তা খুজে বের করে তাদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা
হবে। এ ব্যাপারে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। 

comment / reply_from